মুখের সৌন্দর্যের অন্যতম আকর্ষণ ঠোঁট। এক জোড়া সুন্দর ঠোঁট সুন্দর হাসিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলতে পারে। আর সেই ঠোঁট যদি হয় হরেক রংয়ের ছোঁয়ায় রঙিন, তাহলে আনন্দ বাড়ে আরও এক প্রস্থ। ঠোঁট রাঙিয়ে তুলুন, ছড়িয়ে দিন উজ্জ্বল হাসি। এ নিয়েই ফিচার। লিখেছেন _খুরশীদা রহমান চৈতী
আঁকাবাঁকা লিপলাইন, ধ্যাবড়া লিপস্টিক, বিসদৃশ লিপগ্লস পুরো মেক-আপের দফারফা করে দিতে পারে। মুখের অন্যতম আকর্ষণ ঠোঁট দুটি ঠিকঠাক সাজিয়ে তুলতে জেনে নিন কী করবেন।
সরু ঠোঁট
খুব সাবধানে রেখার ভেতরে লিপস্টিক লাগান। লিপ গ্লস অবশ্যই লাগাবেন।
মোটা ঠোঁট
ঠোঁটের ভেতর দিয়ে লিপলাইনারের রেখা টানুন যাতে ঠোঁট পাতলা দেখায়। ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁটের মোটাভাব কমবে।
অসমান ঠোঁট
বেশিরভাগ সময় উপরের ঠোঁট নিচের ঠোঁটের তুলনায় পাতলা হয়। সে জন্য উপরের ঠোঁটে লিপ লাইনার একটু বাইরের থেকে টানুন।
উপরের ঠোঁটের মাঝখানে 'ভি' শেপের জায়গায় একটু গাঢ় করে রেখা টানুন।
পাতলা ঠোঁটে একটু গাঢ় করে লিপস্টিক লাগান।
গাঢ় শেডের ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন।
কী করে বাছবেন লিপস্টিকের শেড
যাদের রং চাপা তারা প্লাম, ওয়াইন বা লালের শেড বাছুন। যাদের গায়ের রং পরিষ্কার তাদের পিঙ্ক, লাইট ব্রাউন, অরেঞ্জ বা রেজিন শেড ভালো দেখাবে।
এক্সপেরিমেন্টের জন্য দু'রকম রং মিশিয়ে স্কিন টোনের সঙ্গে মানানসই নতুন শেড তৈরি করতে পারেন।
হেভি আই মেক-আপ করলে ঠোঁটে গাঢ় শেডের লিপস্টিক লাগাবেন না।
লিপলাইনার
একই রংয়ের লিপলাইনার এবং লিপস্টিক ব্যবহার করা যেতে পারে। লিপলাইনারের রং একটু গাঢ় হলেও কোনো সমস্যা নেই।
লক্ষ রাখবেন লিপলাইনার পেনসিলটি যেন ভালোভাবে কাটা থাকে।
প্রথমে দু' ফোঁটা ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটে মাসাজ করে নিন। লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁটের দুই কোণ, উপর ও নীচের ঠোঁটের মাঝখানের অংশ লাইন করে নিন। এতে ঠোঁটের শেপ স্পষ্ট হবে। এরপরে হালকা রেখার সাহায্যে ঠোঁটের ধার দিয়ে আগের টানা রেখাগুলো জুড়ে দিন।
লিপস্টিক
লিপস্টিক সরাসরি ঠোঁটে না লাগিয়ে, ছোট লিপব্রাশ ব্যবহার করলে লিপস্টিক ঠোঁটে ভালোমতো বসবে। মুখ অল্প খোলা রেখে, প্রথমে ঠোঁটের মাঝখান থেকে লিপস্টিক লাগাতে শুরু করুন।
ধীরে ধীরে ঠোঁটের কোণের দিকে খুব সতর্কভাবে লিপস্টিক লাগান, যাতে লিপলাইনারের গণ্ডি পার করে রং বেরিয়ে যায়। লিপস্টিক লাগানো হয়ে গেলে, একটা টিস্যু পেপার আস্তে করে দুই ঠোঁটের মাঝে চেপে ধরুন। যদি এক্সট্রা রং ঠোঁটে লেগে থাকে, উঠে আসবে।
লিপস্টিক কেনার সময় হাতের তালুর পেছনে হালকা করে দাগ দিয়ে দেখে নিন স্কিন টোনের সঙ্গে মিলছে কি না। লিপস্টিক দিয়ে কখনোই ব্লাশারের কাজ সারবেন না। যাদের বয়স ৫০-এর বেশি, তারা ম্যাট বা গ্লসি বাদ দিয়ে ক্রিম ভ্যারাইটির লিপস্টিক ব্যবহার করুন।
লিপগ্লস
ঠোঁটে গ্লসি ফিনিশ চাইলে লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন। ম্যাট ফিনিশের জন্য ফেস পাউডার হালকা এক কোট ঠোঁটে লাগিয়ে নিতে পারেন। লিপগ্লস ঠোঁটের মাঝখানে লাগিয়ে দুটো ঠোঁট চেপে ধরে চারদিকে স্মাজ করে নিন। ঠোঁটের রং খুব গাঢ় হলে লিপস্টিকের ওপর লিপগ্লস না লাগানোই ভালো।
আঁকাবাঁকা লিপলাইন, ধ্যাবড়া লিপস্টিক, বিসদৃশ লিপগ্লস পুরো মেক-আপের দফারফা করে দিতে পারে। মুখের অন্যতম আকর্ষণ ঠোঁট দুটি ঠিকঠাক সাজিয়ে তুলতে জেনে নিন কী করবেন।
সরু ঠোঁট
খুব সাবধানে রেখার ভেতরে লিপস্টিক লাগান। লিপ গ্লস অবশ্যই লাগাবেন।
মোটা ঠোঁট
ঠোঁটের ভেতর দিয়ে লিপলাইনারের রেখা টানুন যাতে ঠোঁট পাতলা দেখায়। ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁটের মোটাভাব কমবে।
অসমান ঠোঁট
বেশিরভাগ সময় উপরের ঠোঁট নিচের ঠোঁটের তুলনায় পাতলা হয়। সে জন্য উপরের ঠোঁটে লিপ লাইনার একটু বাইরের থেকে টানুন।
উপরের ঠোঁটের মাঝখানে 'ভি' শেপের জায়গায় একটু গাঢ় করে রেখা টানুন।
পাতলা ঠোঁটে একটু গাঢ় করে লিপস্টিক লাগান।
গাঢ় শেডের ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন।
কী করে বাছবেন লিপস্টিকের শেড
যাদের রং চাপা তারা প্লাম, ওয়াইন বা লালের শেড বাছুন। যাদের গায়ের রং পরিষ্কার তাদের পিঙ্ক, লাইট ব্রাউন, অরেঞ্জ বা রেজিন শেড ভালো দেখাবে।
এক্সপেরিমেন্টের জন্য দু'রকম রং মিশিয়ে স্কিন টোনের সঙ্গে মানানসই নতুন শেড তৈরি করতে পারেন।
হেভি আই মেক-আপ করলে ঠোঁটে গাঢ় শেডের লিপস্টিক লাগাবেন না।
লিপলাইনার
একই রংয়ের লিপলাইনার এবং লিপস্টিক ব্যবহার করা যেতে পারে। লিপলাইনারের রং একটু গাঢ় হলেও কোনো সমস্যা নেই।
লক্ষ রাখবেন লিপলাইনার পেনসিলটি যেন ভালোভাবে কাটা থাকে।
প্রথমে দু' ফোঁটা ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটে মাসাজ করে নিন। লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁটের দুই কোণ, উপর ও নীচের ঠোঁটের মাঝখানের অংশ লাইন করে নিন। এতে ঠোঁটের শেপ স্পষ্ট হবে। এরপরে হালকা রেখার সাহায্যে ঠোঁটের ধার দিয়ে আগের টানা রেখাগুলো জুড়ে দিন।
লিপস্টিক
লিপস্টিক সরাসরি ঠোঁটে না লাগিয়ে, ছোট লিপব্রাশ ব্যবহার করলে লিপস্টিক ঠোঁটে ভালোমতো বসবে। মুখ অল্প খোলা রেখে, প্রথমে ঠোঁটের মাঝখান থেকে লিপস্টিক লাগাতে শুরু করুন।
ধীরে ধীরে ঠোঁটের কোণের দিকে খুব সতর্কভাবে লিপস্টিক লাগান, যাতে লিপলাইনারের গণ্ডি পার করে রং বেরিয়ে যায়। লিপস্টিক লাগানো হয়ে গেলে, একটা টিস্যু পেপার আস্তে করে দুই ঠোঁটের মাঝে চেপে ধরুন। যদি এক্সট্রা রং ঠোঁটে লেগে থাকে, উঠে আসবে।
লিপস্টিক কেনার সময় হাতের তালুর পেছনে হালকা করে দাগ দিয়ে দেখে নিন স্কিন টোনের সঙ্গে মিলছে কি না। লিপস্টিক দিয়ে কখনোই ব্লাশারের কাজ সারবেন না। যাদের বয়স ৫০-এর বেশি, তারা ম্যাট বা গ্লসি বাদ দিয়ে ক্রিম ভ্যারাইটির লিপস্টিক ব্যবহার করুন।
লিপগ্লস
ঠোঁটে গ্লসি ফিনিশ চাইলে লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন। ম্যাট ফিনিশের জন্য ফেস পাউডার হালকা এক কোট ঠোঁটে লাগিয়ে নিতে পারেন। লিপগ্লস ঠোঁটের মাঝখানে লাগিয়ে দুটো ঠোঁট চেপে ধরে চারদিকে স্মাজ করে নিন। ঠোঁটের রং খুব গাঢ় হলে লিপস্টিকের ওপর লিপগ্লস না লাগানোই ভালো।

No comments:
Post a Comment